অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ডিং শিল্প সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন বা এআরআইএ তাদের অফিসিয়াল মিউজিক চার্টে সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি গান নিষিদ্ধ করেছে। নতুন নীতিতে চার্টে স্থান পেতে একটি গানকে উল্লেখযোগ্যভাবে মানুষের তৈরি হতে হবে। শিল্পীরা এআই টুল ব্যবহার করতে পারবেন, তবে গানের মূল সৃজনশীল অংশ মানুষের তৈরি থাকা বাধ্যতামূলক।
অস্ট্রেলিয়ান ডিজে জশ ফাওয়াজের ম্যাডোনার ‘লাইক এ প্রেয়ার’ গানের কভারকে ঘিরে বিতর্কের পর নীতিটি বদলানো হয়। গানটি এআরআইএ ড্যান্স সিঙ্গেলস চার্টে শীর্ষে এবং মূল চার্টে দ্বিতীয় স্থানে উঠেছিল; স্পোটিফাইতে এটি ৪৮ মিলিয়নের বেশি বার শোনা হয়। সমালোচনার মুখে ফাওয়াজ পরে জেনারেটিভ এআই ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন। এআরআইএ প্রধান নির্বাহী অ্যানাবেল হার্ড বলেন, সিদ্ধান্তটি শিল্পীদের সৃজনশীলতার ভিত্তি রক্ষার জন্য। পিকিং ডাকসহ স্থানীয় শিল্পীরা সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
নিয়ম অনুযায়ী গান মানুষের লেখা হতে হবে এবং মূল কণ্ঠ ও প্রধান বাদ্যযন্ত্র মানুষের পরিবেশিত হতে হবে। মাস্টারিং, ড্রাম মেশিন ও অটো-টিউনে এআই ব্যবহার চলবে। আবেদনকালে এআই ব্যবহারের তথ্য জানাতে হবে; পরে গানটি মূলত এআই-তৈরি প্রমাণিত হলে চার্টের অবস্থান বদল বা পুরস্কার ফেরত নেওয়া হতে পারে।
এআরআইএ চার্টে গানের মূল সৃজনশীল অংশ মানুষের তৈরি হওয়া বাধ্যতামূলক করল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।