মার্কিন কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) বুধবার প্রকাশিত ১০ বছরের আর্থিক পূর্বাভাসে জানিয়েছে যে আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ঘাটতি ও ঋণ আরও খারাপ হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তা, মেডিকেয়ার এবং ঋণ পরিষেবা খাতে ব্যয় বৃদ্ধিই এই অবনতির প্রধান কারণ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম পূর্ণ অর্থবছর ২০২৬ সালে ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৫.৮ শতাংশ হবে, যা ২০২৫ সালের ১.৭৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতির কাছাকাছি। আগামী দশকে গড় ঘাটতি-জিডিপি অনুপাত ৬.১ শতাংশে পৌঁছাবে এবং ২০৩৬ সালে তা ৬.৭ শতাংশে উঠবে, যা ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্টের ৩ শতাংশ লক্ষ্যের অনেক উপরে।
সিবিওর প্রতিবেদনে সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন যেমন রিপাবলিকানদের “ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট”, উচ্চ শুল্ক এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমন অভিযান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ ২০২৬ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে মোট ঘাটতি ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার বাড়াবে এবং সরকারি ঋণ জিডিপির ১০১ শতাংশ থেকে ১২০ শতাংশে উন্নীত করবে। যদিও উচ্চ শুল্ক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত রাজস্ব আনবে, তা ২০২৯ সাল পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি বাড়াবে। সিবিও অনুমান করছে, ২০৩০ সালের আগে মুদ্রাস্ফীতি ফেডারেল রিজার্ভের ২ শতাংশ লক্ষ্যে নামবে না।
প্রতিবেদনটি ট্রাম্প প্রশাসনের আশাবাদী প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসের বিপরীতে, যেখানে সিবিও ২০২৬ সালে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২.২ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে গড়ে ১.৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করছে।
সিবিও জানিয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ জিডিপির ১২০ শতাংশে পৌঁছাবে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।