প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ইলেকট্রনিক বর্জ্যের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে। ব্যবহৃত বা অচল স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন, ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রে থাকা সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত উপাদান অনিরাপদভাবে ফেলে দেওয়া বা পোড়ানোর ফলে মাটি, পানি ও বাতাস দূষিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বড় শহরগুলোয় অনিয়ন্ত্রিত পুনর্ব্যবহার কেন্দ্রে এসব যন্ত্রপাতি অস্বাস্থ্যকর উপায়ে ভাঙা বা পোড়ানো হয়, যার ফলে শ্রমিক ও আশপাশের মানুষ ক্ষতিকর ধোঁয়া ও রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দ্রুত ডিভাইস পরিবর্তনের প্রবণতা, নিম্নমানের পণ্যের ব্যবহার এবং উন্নত দেশ থেকে ব্যবহৃত পণ্য আমদানির কারণে ই-বর্জ্য দ্রুত বাড়ছে। অনেক শিশু ও নিম্নআয়ের শ্রমিক নিরাপত্তাহীন অবস্থায় এসব বর্জ্য আলাদা করার কাজে যুক্ত, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক।
এই সংকট মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারকে আন্তর্জাতিক মানের ই-বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার কেন্দ্র স্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ই-বর্জ্যের বৃদ্ধি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।