ভারতের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটির গড় সন্তান জন্মদানের হার প্রথমবারের মতো প্রতিস্থাপন স্তরের নিচে নেমে গেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসআরএস তথ্য অনুসারে ২০০০-এর দশকের শুরুতে ভারতের টিএফআর ছিল প্রায় ৩.৩, যা গত দুই দশকে ধারাবাহিকভাবে কমেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
জন্মহার কমার পেছনে নারীদের শিক্ষার প্রসার, কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, গর্ভনিরোধক ব্যবহারের সহজলভ্যতা এবং সন্তান লালন-পালনের ব্যয় বৃদ্ধি প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আঞ্চলিক বৈষম্যও স্পষ্ট—বিহারে জন্মহার ২.৯ হলেও দিল্লিতে তা মাত্র ১.২। অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে গেলে শ্রমঘাটতি, উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চাপ বাড়তে পারে।
এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ভারতের রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন ভারতের মূল চ্যালেঞ্জ হলো জন্মহার বাড়ানো নয়, বরং বার্ধক্যপ্রবণ সমাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
ভারতের জন্মহার প্রতিস্থাপন স্তরের নিচে নেমে অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যাগত উদ্বেগ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।