চট্টগ্রামের বাঁশখালীর জলদী এলাকার দো-চাইল্লা পাহাড়ে প্রায় ছয় দশক আগে খনন করা তিনটি কূপের লিকেজ এবং পাহাড়ের ফাটল দিয়ে গ্যাসের বুদবুদ বের হওয়ার দাবি করেছেন স্থানীয়রা। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জলদী পৌর সদর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বে জলদী রেঞ্জ ও লোহাগাড়া চুনতি রেঞ্জের মাঝামাঝি গহিন অরণ্যে কূপগুলো অবস্থিত। এ ঘটনায় এলাকায় আবার তেল-গ্যাসের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রবীণদের ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ১৯৬০ সালে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের মাধ্যমে তিনটি কূপ খনন করে। পরে কোরিয়া ও রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আরও পাঁচটি কূপ খননের কথাও স্থানীয়ভাবে জানা যায়। স্থানীয়দের দাবি, জরিপে বিপুল তেল-গ্যাস মজুতের ইঙ্গিত মেলে এবং প্রায় ৩০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেলও উত্তোলন করা হয়েছিল।
বাপেক্সের ভূতত্ত্ব বিভাগের ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন তিনটি কূপ খননের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে ১৯৬০ সালের পর উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং সিসা দিয়ে কূপ সিল করার কারণও স্পষ্ট নয়। মজুতের দাবির স্বাধীন যাচাই বা সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের তথ্য পাওয়া যায়নি। সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী নতুন বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে সম্ভাবনা যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
বাঁশখালীর পুরোনো তিন কূপ ও পাহাড়ের ফাটল দিয়ে গ্যাসের বুদবুদ ওঠার দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।