ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা গত সপ্তাহে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সৌদি আরামকোর সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব হামলা সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষার দুর্বলতা স্পষ্ট করেছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ টানা ও তেলনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনায় ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা হুথি হামলা কার্যকর হওয়ার পেছনে ইরানি সহায়তা, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং যুদ্ধের অভিজ্ঞতাকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এক দশকের বেশি সময় ধরে হুথিদের অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে, যদিও তেহরান জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, ইরানের বিপ্লবী গার্ড ও লেবাননের হিজবুল্লাহর সদস্যরা শুরুতে ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা ও প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেয়। এখন স্থানীয় প্রকৌশলী ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় হুথিরা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা গড়ে তুলছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, তারা কয়েকটি হুথি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং ১২৭টি অস্ত্রের গুদাম ও উৎক্ষেপণকেন্দ্র ধ্বংস করেছে। কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চের প্রতিবেদনে চীন থেকে পাঠানো যন্ত্রাংশ দিয়ে মাঝারি পাল্লার উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথা বলা হয়েছে। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, উত্তর ইয়েমেনে সক্রিয় কিছু ব্যক্তি ক্লড এআই সহকারী ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত রকেট, সম্ভাব্য দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও হাইপারসনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্রের সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা করেছে।
অস্ত্র, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও প্রতিরক্ষার চাপ হুথি হামলাকে কার্যকর করছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।