প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো সক্রিয় এবং একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীতে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকার দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা পেয়েছিল।
তারেক রহমান বলেন, সরকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত অস্থিতিশীল করতে তৎপর চক্রের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের মুখোমুখি হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীদের রাজনৈতিক সচেতনতা বা সংগঠিত থাকা অযৌক্তিক নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তবে অতিমাত্রার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যাতে পেশাগত দায়িত্বে বাধা না দেয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পাঁচ বছরে তা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু হয়েছে, প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। চিকিৎসকদের কয়েকটি প্রস্তাব পর্যায়ক্রমে বিবেচনার আশ্বাস দেন তিনি।
জ্বালানি খাত অস্থিরের চেষ্টার অভিযোগ, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা প্রধানমন্ত্রীর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।