গ্রাহকদের কাছ থেকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান বিকাশ, নগদ ও রকেটের নেওয়া কথিত স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সেবাশুল্ক কেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ও আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানির জন্য মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব।
এর আগে হাইকোর্ট জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন যে, এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত সেবাশুল্ক কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। রুলে দরিদ্র ও ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তিসংগত ও সাশ্রয়ী এমএফএস চার্জ নিশ্চিত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ভোক্তা সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন কেন প্রণয়ন করা হবে না, তাও রুলে জানতে চাওয়া হয়। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের বেঞ্চ রুলটি জারি করেন। অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিটটি নিজেই দাখিল করেছিলেন সাকিব।
বিকাশ, নগদ ও রকেটের অতিরিক্ত এমএফএস চার্জ নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টে শুনানি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।