সিরিয়ার ইদলিবের গ্রামাঞ্চলে আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে ১৮ আগস্ট ইসরাইলি হামলার পর তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ঘিরে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তুরস্ক সীমান্তের কাছে অবস্থিত এবং কয়েক বছর ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকা ঘাঁটিটির রানওয়েগুলোতে হামলা চালানো হয়। হামলাটি সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ধ্বংসের চেয়ে তুরস্কের প্রতি একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরাইল দাবি করেছে, সিরিয়া সেখানে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল; তবে সিরিয়া ও তুরস্ক উভয়েই তা অস্বীকার করেছে। তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাক বলেন, হামলার প্রায় ছয় দিন আগে ইসরাইল সম্ভাব্য তুর্কি সামরিক তৎপরতার কথা ওয়াশিংটনকে জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করে সেখানে এমন কোনো তৎপরতা নেই বলে ইসরাইলকে জানালেও পরে হামলা হয়।
ব্যারাকের মতে, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ককে সতর্ক করতে পারে—এ আশঙ্কায় ইসরাইল হামলার বিস্তারিত তথ্য ভাগ করেনি। তুরস্কের সীমান্ত থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটারের মধ্যে ইসরাইলি বিমান চলে আসায় অনিচ্ছাকৃত সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশ্লেষকেরা বলেন, নিজ ভূখণ্ডে বিমানঘাঁটি সংস্কার ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সিরিয়ার সার্বভৌম অধিকার। ঘটনাটি আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এবং ওয়াশিংটন-আঙ্কারা-তেল আবিব সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তুরস্ক সীমান্তের কাছে ইসরাইলি হামলায় আঙ্কারা ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।