লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ফলিমারী গ্রামের সাত বছর বয়সী স্কুলছাত্রী নন্দিনী রায় হত্যা মামলায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২৩ আগস্ট ২০২৬ রোববার লালমনিরহাটের দায়রা জজ মো. হায়দার আলী এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারের জন্য মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের পর ছয় কার্যদিবসের মধ্যে রায় হয়। অন্য দুই আসামি রনজিৎ কুমার রায় ও মমতা রানীকে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন ১৬ জুন আদিতমারী থানায় তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, ১৫ জুন বিকেল ৩টা থেকে ১৬ জুন ভোর ৬টার মধ্যে নন্দিনীকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে জাবেদ আলীর ভুট্টাক্ষেতে পুঁতে রাখা হয়। তদন্তে গ্রেপ্তারের পর বিধান চন্দ্র ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার এবং একটি কোদালসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।
বিধান চন্দ্রকে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪০৪ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি সাত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে। তিন আসামিকেই লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নন্দিনী রায় হত্যা মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড দিলেন লালমনিরহাট আদালত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।