সামরিক বিশ্লেষক ও গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কয়েক মাসের জন্য ড্রোন হামলার মাধ্যমে অচল করে রাখার সক্ষমতা রাখে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে এক হাজারের বেশি ড্রোন ও কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ছয়টি জাহাজে হামলার পর প্রণালির জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্রিটিশ তহবিলপুষ্ট গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর ইনফরমেশন রেজিলিয়েন্স’ জানিয়েছে, ইরান প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ড্রোন তৈরি করতে পারে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ২,৫০০ থেকে ৬,০০০ এর মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও উৎক্ষেপণকেন্দ্রের ঘাটতি তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। ইরানের ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন ১,০০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এবং সাম্প্রতিক হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ফুরিয়ে গেলে ইরান ৫ থেকে ৬ হাজার সমুদ্র মাইন ব্যবহার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব মাইন পরিষ্কার করতে কয়েক মাস সময় লাগবে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি সংকট সৃষ্টি করতে পারে।
ড্রোন ও মাইন ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালি মাসের পর মাস বন্ধ রাখতে পারে ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।