৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ঘোষণার পরও বাজারে নিত্যপণ্যের অস্থিরতা কমেনি বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, নয়াবাজার ও হাতিরপুলসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে, চাল, ডাল, তেল ও ডিমের দাম বাড়তি। ক্রেতারা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের মাসিক বাজেট মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে, আর বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ব্যয় ও পাইকারি দামের চাপ তাদেরও বিপাকে ফেলেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের কাছে বাজেটের ঘোষণায় তেমন আগ্রহ নেই, বরং তারা চিন্তিত পণ্যের দাম আরও বাড়বে কি না।
বিক্রেতারা পরিবহন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধিকে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেটের প্রভাবের কথাও বলেছেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট ঘোষণার পর অনেক সময় মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবে দাম বাড়ে, যা অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ হিসেবে নেয়।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মতে, সরকারের কর-শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের সুফল সাধারণ মানুষ নাও পেতে পারে যদি বাজার তদারকি জোরদার না করা হয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, কার্যকর নজরদারি ছাড়া নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যেতে পারে।
২০২৬ সালের বাজেটের পর দাম বাড়ায় ঢাকার বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।