রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আগামী তিন থেকে ১০ বছরে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ২৫টি বোয়িংয়ের এবং ১০টি এয়ারবাসের। ১৪টি বোয়িং কেনার চুক্তি এপ্রিলে, আরও ১১টির চুক্তি ২৩ সেপ্টেম্বর এবং ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি বুধবার সই হয়েছে। বর্তমানে বিমানের বহরে রয়েছে ১৯টি উড়োজাহাজ।
অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বড় বহর পরিচালনায় বিমানের বাণিজ্যিক, কারিগরি ও জনবল সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে এবং এ বিষয়ে অর্থনৈতিক বা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়নি। উদ্ধৃত বোয়িং প্রতিবেদনে বিমানের উড়োজাহাজে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বেশি কারিগরি ত্রুটি ও মেরামতে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন গুণ সময় লাগার কথা বলা হয়েছে। অর্থায়ন, পার্কিং, রক্ষণাবেক্ষণ, পাইলট ও প্রকৌশলী নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সরকার বলছে, যাত্রীচাহিদার ভিত্তিতেই উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে এবং বিদেশি এয়ারলাইনসের দখলে থাকা যাত্রী পরিবহনের অংশ ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য। প্রথম উড়োজাহাজ ২০৩১ সালে আসবে, আর শেষটি ২০৩৫ সালে বা পরে আসতে পারে। সরকারের মতে, বিমানের নিজস্ব আয় ও কিস্তিতে মূল্য পরিশোধ হবে। বিশেষজ্ঞরা পাইলট প্রশিক্ষণ, দক্ষ প্রকৌশলী, রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।
বিমানের ৩৫ উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনায় সক্ষমতা, জনবল ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।