পাঠাওয়ের সিইও ফাহিম আহমেদ ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক লেখায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিজের সম্পৃক্ততা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের পর দেশে ফিরে বিনিয়োগ খাতে কাজের সময় পাঠাওয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে পরিচয়ের কথা বলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান এবং কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির ধারণাই তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত করেছিল।
তিনি লিখেছেন, জুলাইয়ের আন্দোলন তাঁর কাছে কেবল রাজনৈতিক ঘটনা ছিল না; এটি মেধার মূল্যায়ন, সুবিচার, সম্মান ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দাবিতে মানুষের জেগে ওঠা। ১৬ জুলাই আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে দেখার পর তিনি আন্দোলনকে কোটা সংস্কারের গণ্ডির বাইরে মনে করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতা ও ইন্টারনেট বন্ধের প্রেক্ষাপটে দেশ-বিদেশে নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছানোর প্রয়োজন অনুভব করেন।
লেখক জানান, ২৯ জুলাই নিরাপত্তা-উদ্বেগে আবদুল হান্নান মাসউদ, আবদুল কাদের ও মাহিন সরকারকে তিনি ও তাঁর স্ত্রী নিরাপদ আশ্রয় দেন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানে সহায়তা এবং ২ আগস্টের এক দফা ঘোষণার বাংলা ও ইংরেজি ভাষা তৈরিতেও যুক্ত ছিলেন বলে উল্লেখ করেন। ৩ ও ৪ আগস্ট বিভিন্ন স্থানে জনসম্পৃক্ততা দেখেন তিনি; ৫ আগস্ট মহাখালী রেলগেট এলাকায় অবস্থানকালে গণভবন ত্যাগের খবর পান বলে লেখেন।
পাঠাওয়ের সিইও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজের ভূমিকা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।