বাংলাদেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। ২০১০ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার পরিচালনার জন্য গঠিত এই ট্রাইব্যুনাল সম্প্রতি জুলাই ২০২৪ বিপ্লব ও পূর্ববর্তী গুম-খুন সংক্রান্ত কয়েকটি আলোচিত মামলার রায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের অধীনে আইসিটি আগের কাঠামোয় টিকে থাকবে কি না, নাকি সংস্কার আসবে।
প্রসিকিউটর ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, জুলাই আন্দোলনের সহযোদ্ধা দলগুলো ক্ষমতায় এলে বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। অন্যদিকে, কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক পরিবর্তনে ট্রাইব্যুনাল দুর্বল বা অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের পদে থাকা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, যা মামলার গতি ও বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নতুন সরকারের নীতিগত বা আইনগত পরিবর্তন চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখাই ট্রাইব্যুনালের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার মূল চাবিকাঠি বলে তারা মনে করেন।
নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।