যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার পরও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য কোনো হ্রাস ঘটেনি বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে বলা হয়, গত বছরের গ্রীষ্মে ইরান একটি পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে যে সময় নিত, এখনো প্রায় একই সময় লাগবে। ২০২৫ সালের জুনে চালানো হামলার পর দাবি করা হয়েছিল, ইরানের কর্মসূচি অন্তত এক বছর পিছিয়ে গেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ও শিল্প স্থাপনায় হামলা চালায়, আর ইসরাইল আঘাত হানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায়। তবুও ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অক্ষত রয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা কার্যত বন্ধ করতে হলে এই ইউরেনিয়াম মজুত ধ্বংস বা সরিয়ে নেওয়া জরুরি। ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালি বন্ধ ও রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হেগসেথ বলেন, তেহরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা এখনো ইরানের ৪৪০ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি। সংস্থার ধারণা, এর অর্ধেক ইসফাহানের একটি ভূগর্ভস্থ টানেলে লুকানো রয়েছে, যেখানে পরিদর্শন কার্যক্রম স্থগিত আছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বড় ক্ষতি হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।