১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘আজ উদ্ভাবন, আগামী দিনের পুষ্টি’ উল্লেখ করে লেখাটি বলেছে, খাদ্যনিরাপত্তা শুধু উৎপাদন বাড়ানোর বিষয় নয়; খাদ্যে প্রবেশাধিকার, ক্রয়ক্ষমতা, পুষ্টিমান এবং সারা বছর নির্ভরযোগ্য প্রাপ্যতাও এর অংশ। উদ্ভাবন ও টেকসই উৎপাদনের সুফল কৃষক ও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের এফএওর বাংলাদেশবিষয়ক মূল্যায়নের বরাত দিয়ে লেখায় বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হতে পারেন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সীমিত ক্রয়ক্ষমতা, জ্বালানি-সংশ্লিষ্ট ব্যয় ও বন্যাকে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয়, শ্রমের মূল্য ও যুক্তিসংগত মুনাফা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তার জন্য খাদ্য সাশ্রয়ী রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
লেখাটিতে সরকারি ধান-চাল সংগ্রহব্যবস্থা সংস্কার, প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি সংগ্রহ, ডিজিটাল লেনদেন, সংরক্ষণ ও পরিবহনব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রস্তাব রয়েছে। জলবায়ু সহনশীল কৃষি, কৃষিবিমা, দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তা, ক্ষুদ্র কৃষকের ঋণ এবং নীতিতে কৃষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। কৃষি খাতের বরাদ্দ, প্রকল্পের অগ্রগতি ও ফলাফল স্বচ্ছভাবে মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও সাশ্রয়ী পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।