ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে বড় ধরনের পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এটিকে শান্তিপূর্ণ পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা রিয়াদ ও ওয়াশিংটনের বহুমুখী অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো সৌদি আরবে পরমাণু প্রযুক্তি রপ্তানি, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ পাবে।
দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরব তাদের জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড শক্তিশালী করতে এ ধরনের সমঝোতার চেষ্টা করে আসছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্ব বেসামরিক পরমাণু বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলো। উভয় দেশ জানিয়েছে, চুক্তিটি পারমাণবিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র বিস্তার রোধ নীতি বজায় রেখে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান চলমান অবস্থায় এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াশিংটনের মতে, এটি ইরানের সম্ভাব্য পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি ঠেকানোর অংশ। বাইডেন প্রশাসনের আগের উদ্যোগের মতো নয়, এই চুক্তিতে ইসরাইল-সৌদি সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কোনো শর্ত নেই।
ইরান সংঘাতের মাঝেই সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।