অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী দুদকের সদস্য সংখ্যা তিনজন থেকে বাড়িয়ে পাঁচজন করা হবে, যার মধ্যে একজন নারী ও একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ থাকবেন। দুদক কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে এবং কমিশনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রতি ছয় মাস অন্তর অনলাইনে প্রকাশ করতে হবে। বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি চূড়ান্ত খসড়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী দুদককে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই এই অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই বৈঠকে মানব পাচার প্রতিরোধ, রাজউক উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংশোধন সংক্রান্ত আরও তিনটি অধ্যাদেশের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়।
দুদক সংস্কার অধ্যাদেশে কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী ও ছয় মাস অন্তর প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক