গ্রিসের উপকূলে ছয় দিন ভেসে থাকার পর অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি। গ্রিসের কোস্টগার্ড জানায়, নৌকাটি ২১ মার্চ পূর্ব লিবিয়ার তবরুক বন্দর থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থার একটি জাহাজ ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে, যাদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন দক্ষিণ সুদানের এবং একজন চাদের নাগরিক। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশু ছিল, এবং আহত দুজনকে ক্রিট দ্বীপের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে—তারা সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার বাসিন্দা। কোস্টগার্ডের ধারণা, খারাপ আবহাওয়া ও খাদ্য-পানির অভাবই মৃত্যুর প্রধান কারণ। নৌকাটি দিক হারিয়ে ছয় দিন ধরে সাগরে ভেসে ছিল এবং শেষ পর্যন্ত ক্রিটের দক্ষিণে ইয়েরাপেত্রা শহর থেকে প্রায় ৫৩ নটিক্যাল মাইল দূরে শনাক্ত হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দক্ষিণ সুদানের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৪১ হাজার ৬৯৬ জন অভিবাসী সমুদ্রপথে গ্রিসে পৌঁছেছেন, যা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পথের বাস্তবতা তুলে ধরে।
গ্রিস উপকূলে ছয় দিন ভেসে ১৮ বাংলাদেশিসহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।