সারা দেশের মতো রংপুরেও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। অনেকেই বোতল ও জারিকেন নিয়ে পাম্পে ভিড় করছেন। পাম্প মালিক, শ্রমিক ও প্রশাসনের নিয়োজিত কর্মকর্তারা ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সীমিত সরবরাহের কারণে অনেক পাম্পে তেল শেষ হয়ে গেছে, ফলে খোলাবাজারে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভোক্তা ও শ্রমিকদের অভিযোগ, একটি সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে তেল বিক্রির চেষ্টা করছে। তারা দাবি করেন, ইটভাটাগুলোতে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুত রাখা হয়েছে এবং সেখান থেকে কালোবাজারে বিক্রি চলছে। পরিবহন মালিকরা জানান, ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত তেল থাকলেও সরবরাহ সীমিত করা হয়েছে। পাম্প মালিক সমিতির এক নেতা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জোর করে পাম্প থেকে তেল নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
জেলা প্রশাসক এনামুল আহসান জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চলছে এবং গোপনে তেল মজুতের প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের তথ্যমতে, জেলার ৮৫টি পাম্পে সীমিত পরিমাণ পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিন মজুত আছে, তবে ডিজেলের কোনো মজুত নেই।
রংপুরে জ্বালানি তেলের সংকটে দীর্ঘ লাইন ও মজুতের অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।