চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পাঁচটি পশু হাটের ইজারা এখনো হয়নি। তিনটি হাটে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ এবং দুটি হাটে ইজারাদার সংকটের কারণে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা যায়নি। ঈদুল আজহার আগে এসব হাট বসানোর লক্ষ্যে চসিক কর্মকর্তারা জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, এবার নগরে মোট ১০টি পশু হাট বসবে—এর মধ্যে তিনটি স্থায়ী ও সাতটি অস্থায়ী। স্থায়ী হাটগুলো সাগরিকা, বিবিরহাট ও পোস্তারপাড়ে ইতোমধ্যে ইজারা সম্পন্ন হয়েছে এবং বেচাকেনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন ১৬টি হাটের অনুমতি চাওয়া হলেও অনুমোদন দিয়েছে সাতটির। এর মধ্যে তিনটির ইজারা সম্পন্ন হয়েছে, বাকিগুলোতে বিরোধ বা অন্যান্য জটিলতা রয়েছে। চলতি বছর চসিকের মোট রাজস্ব আয় দাঁড়াবে ১৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, যার মধ্যে স্থায়ী হাট থেকে ৯ কোটি ৯৭ লাখ এবং অস্থায়ী হাট থেকে ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা আসবে।
চসিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিরোধপূর্ণ হাটগুলোর ইজারা আলোচনার মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রয়োজনে আগের বছরের অঙ্কের সঙ্গে ছয় শতাংশ বাড়িয়ে প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।
মালিকানা বিরোধে চট্টগ্রামের পাঁচ পশু হাটের ইজারা অনিশ্চিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।