বিএনপির একাধিক নেতার দাবি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট ২০২৬ সকালে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, সায়েদাবাদ, পোস্তগোলা, আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা, আশুলিয়া ও গাবতলীসহ ঢাকার প্রবেশমুখগুলো থেকে মিছিল রাজধানীতে প্রবেশ করে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিচ্ছিন্ন মিছিলগুলো গণভবনমুখী জনস্রোতে মিলিত হয়। দলটি বলছে, এই জমায়েত আকস্মিক ছিল না; ২০ জুলাই থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীদের রাজধানীর ভেতরে না রেখে প্রবেশপথে অবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
দলীয় নেতাদের ভাষ্য, ১৬ জুলাই গুলিবর্ষণ ও প্রাণহানির পর আন্দোলনের কৌশল বদলানো হয়। রাজধানীর ভেতরে থাকলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি থাকায় নেতাকর্মীদের আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিতে বলা হয়। কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ভোলা, গাজীপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মীদের আত্মীয়ের বাসা, মেস, ছাত্রাবাস ও ভাড়া করা কক্ষে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
বিএনপির দাবি, তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে অনলাইনে রাজনৈতিক সমন্বয় করতেন। ৩ আগস্ট এক দফা ঘোষণার পর সম্ভাব্য ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সামনে রেখে আরও নেতাকর্মীকে প্রবেশমুখে আসতে বলা হয়। ৫ আগস্ট আব্দুল্লাহপুরে গাজীপুর ও আশুলিয়ার মিছিল পৌঁছানোর পর স্থানীয়রাও যুক্ত হন বলে মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান জানান।
বিএনপির দাবি, ২০ জুলাই থেকে প্রস্তুতির পর ৫ আগস্ট আট প্রবেশমুখ দিয়ে মিছিল ঢাকায় ঢোকে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।