সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর ওপর ৩২০ মিটার দীর্ঘ সেতুর প্রবেশমুখের একটি সাইনবোর্ড থেকে শহীদ আয়াতুল্লাহর নাম কালো রঙ দিয়ে মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা এ কাজ করেছে। গত শুক্রবার সকালে সেতু এলাকায় গিয়ে সাইনবোর্ডের মাঝের অংশে নামটি মুছে দেওয়া দেখা যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
চামারদানী ইউনিয়নের জলুষা গ্রামের ১৯ বছর বয়সি আয়াতুল্লাহ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার সফিপুর আনসার একাডেমি এলাকায় বড় ভাই সোহাগ মিয়ার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন। পরে তিনি নিখোঁজ হন। ১১ দিন পর, ১৬ আগস্ট, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তার লাশ পায় পরিবার। পরিবার সূত্রে তার বুকে গুলির চিহ্ন ছিল। ১৭ আগস্ট রাতে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
তার স্মৃতি ধরে রাখতে স্থানীয় ছাত্র-জনতার উদ্যোগে ২০২৪ সালের আগস্টে সেতুর প্রবেশমুখে নামের সাইনবোর্ড বসানো হয়েছিল, যা উদ্বোধন করেন তার বাবা হাজি সিরাজুল ইসলাম। সোহাগ মিয়া ও জুলাইযোদ্ধা অপি মিয়া জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। মধ্যনগর থানার ওসি এ কে এম সাহাবুদ্দিন শাহীন বলেন, পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করা গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মধ্যনগরে সোমেশ্বরী সেতুর ফলক থেকে আয়াতুল্লাহর নাম মুছে দেওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।