‘পলিটিকস অর ওয়ার’ শীর্ষক এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারির উদ্যোগ দেশটির রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর করতে পারে। এতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে পারলেও জনআস্থা ও রাজনৈতিক সমর্থন হারানোর ঝুঁকি রয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার প্রচেষ্টাও জটিল হতে পারে। বিশ্লেষণে বলপ্রয়োগের বদলে রাজনৈতিক সমঝোতা, স্থানীয় সহযোগিতা ও কার্যকর নিরাপত্তা কৌশলের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনটি কেন্দ্রীয় সরকার ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের বিরোধকে এই পরিস্থিতির মূল প্রেক্ষাপট হিসেবে তুলে ধরেছে। পিটিআই ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তাঁর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছিল। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পাকিস্তানে রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসায় আলোচনা ও সমঝোতার বদলে বলপ্রয়োগ বাড়ছে এবং সংসদ, আদালত ও নির্বাহী বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে আস্থার সংকট রয়েছে। আফগান নাগরিকদের নির্বিচারে বিতাড়নের নীতিও সমালোচিত হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের দায় শুধু প্রাদেশিক সরকারের নয়; কেন্দ্র ও প্রদেশের যৌথ দায়িত্ব রয়েছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়। ব্যাপক সামরিক অভিযানের বদলে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষণে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসনে রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ার সতর্কতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।