রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান ও সরকারী সম্পত্তি ধ্বংসের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশ। এতে অজ্ঞাত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। থানা সূত্র বলছে, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ‘ইমান আকিদা রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আনসার ক্লাবে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা দরবারের দিকে যেতে চাইলে স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ তাদের ঠেকানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ইউএনও'র সরকারী গাড়ি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ওসির গাড়ি ভাঙচুর করে। সেইসঙ্গে ৫ পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় প্রশাসনের দুইজনকে পিটিয়ে ও ঢিল ছুঁড়ে আহত করে। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা নুরাল পাগলের বাড়ি ও দরবারের গেট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এক পর্যায়ে নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয়। ওসি জানান, জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।
গোয়ালন্দে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান ও সরকারী সম্পত্তি ধ্বংসের অভিযোগে অজ্ঞাত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।