ইসরাইলের ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকেরা ভোট দেবেন কি না, তা নিয়ে ভাবছেন। রাজনৈতিক ব্যবস্থা তাদের অধিকার রক্ষায় সীমিত ভূমিকা রাখে বলে অনেকের ধারণা। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে আরেকটি উগ্র ডানপন্থি সরকার এলে ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে—এই আশঙ্কায় অনেকে ভোটকে তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর একটি উপায় হিসেবে দেখছেন। ইসরাইলের জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা জনমত জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট বা বিরোধী জায়নবাদী শিবিরগুলোর কোনোটিই ১২০ সদস্যের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসন এককভাবে পাবে না। ফলে আরব নেতৃত্বাধীন রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ২৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি দল দুটিকে অযোগ্য ঘোষণা করলেও পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।
নির্বাচনী প্রচারের সঙ্গে যুক্ত একজনের ভাষ্য অনুযায়ী, জরিপে প্রায় ৬২ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিকের ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে; লক্ষ্য ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশে পৌঁছানো। প্রথমবারের ভোটার লায়লা আতামনেহ এবং গালিলির ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টান নারী হানান রাজনৈতিক আপত্তি ও হতাশা সত্ত্বেও ভোট দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
নেতানিয়াহুর সরকার ঠেকাতে ভোটের কথা ভাবছেন ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকেরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।