আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)-এর সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২৬ সালের ২২ জুন সোমবার ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে দুই বছর এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ড এবং অবৈধ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে, ফলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী জানান, আসামি মামলার শুরু থেকেই পলাতক এবং তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
দুদক ২০২৩ সালের ৬ মার্চ মামলাটি দায়ের করে, যেখানে তীর্থের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
দুর্নীতির মামলায় পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিৎ অধিকারী তীর্থের সাত বছরের কারাদণ্ড
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।