বুয়েটের অধ্যাপক মাহবুবুর রাজ্জাক বাংলাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষার ফলের বৈষম্য কমাতে ন্যায্য গ্রেডিং পদ্ধতি প্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ, যেখানে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং কুমিল্লা বোর্ডে মাত্র ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ পাসের হার দেখা গেছে। এই পার্থক্য প্রশ্নের মান ও খাতা মূল্যায়নের অসামঞ্জস্যতার ইঙ্গিত দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজ্জাক বলেন, বোর্ড ও বছরভেদে ফলাফলের এই তারতম্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকরির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করছে। কর্তৃপক্ষ গত বছরের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শেখার ঘাটতিকে দায়ী করলেও তিনি নতুন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে কঠোর পরীক্ষা ব্যবস্থার কারণে কোনো ব্যাচ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
তিনি প্রস্তাব করেন, প্রশ্নের কঠিনতার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর গ্রেড বাউন্ডারি সমন্বয় করা হলে বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তির হার যৌক্তিকভাবে কাছাকাছি আনা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলের বৈষম্য কমাতে ন্যায্য গ্রেডিংয়ের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।