নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ সাইদুল ইসলাম ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বাংলাদেশে গোষ্ঠীগত সংহতি বা আসাবিয়ার ভূমিকা বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি ইবনে খালদুনের ধারণা ব্যবহার করে বলেন, সামাজিক সংহতি সভ্যতা ও রাষ্ট্র গঠনের শক্তি হলেও অন্ধ আনুগত্যে রূপ নিলে তা বিভাজন, সংঘাত ও পতনের কারণ হতে পারে।
নিবন্ধে একাত্তরকেন্দ্রিক পরিচয়, রাজনৈতিক দল, বিশ্ববিদ্যালয়, ধর্মীয় সংগঠন, পেশা, অঞ্চল এবং প্রবাসী নেটওয়ার্ককে আধুনিক আসাবিয়ার ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের মতে, এসব সংহতি সহযোগিতা, দান, শিক্ষা, পেশাগত মান ও সামাজিক পুঁজি গঠনে সহায়তা করতে পারে। তবে পরিচয় বা সংগঠন সত্য, ন্যায় ও জবাবদিহির চেয়ে বড় হয়ে গেলে ভিন্নমতকে শত্রু হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়।
তিনি জুলাই বিপ্লবকে নতুন নাগরিক আসাবিয়া গঠনের সম্ভাবনাময় মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এই চেতনা নতুন রাজনৈতিক শিবির, ব্যক্তিপূজা বা বর্জনের নীতিতে সীমাবদ্ধ হলে তা পুরোনো গোষ্ঠীবাদের পুনরাবৃত্তি হবে বলে সতর্ক করেন। লেখক আইনের শাসন, জবাবদিহি, মানবিক মর্যাদা, বহুত্ববাদ, মেধা ও সাংবিধানিক মূল্যবোধভিত্তিক বৃহত্তর সামাজিক সংহতির আহ্বান জানান।
গোষ্ঠীগত সংহতি কীভাবে ন্যায়ভিত্তিক শক্তি বা উগ্র বিভাজনে পরিণত হয়, তা নিয়ে বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।