বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ভারতের আসামে বাঙালি মুসলমানদের ১১০০টির বেশি বাড়িঘর ও ১০টির বেশি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি আসাম, উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন।
হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, গত এক দশকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তিনি ৩১ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংঘটিত রাষ্ট্রীয় অপরাধ পর্যালোচনায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তিন সদস্যের একটি প্যানেল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের যথেষ্ট সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আসাম ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরা জাতিগত নির্মূলের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছেন।
বিবৃতিতে নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ ছয় দিনের মধ্যে খালি করার জন্য ১৯ অক্টোবরের নোটিশের কথাও বলা হয়। এতে দাবি করা হয়, ৭ অক্টোবর থেকে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় নামাজ ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মিয়াজী আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগে ভারত সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।
আসাম ও দিল্লিতে মুসলিমদের স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগে খেলাফত আমিরের নিন্দা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।