Web Analytics

রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, লিবিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যে নীরবে মধ্যস্থতা শুরু করেছে পাকিস্তান। গত বছরের শেষের দিকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র অবগত এবং এতে জড়িত রয়েছে বলে একটি পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে। সৌদি আরবও এই প্রচেষ্টায় সমর্থন দিচ্ছে। ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে বিভক্ত লিবিয়াকে পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে এই প্রচেষ্টা চলছে। উভয় পক্ষই পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা চেয়েছিল।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের ভূমিকার পর এবার লিবিয়া ইস্যুতেও দেশটি সক্রিয় হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, লিবিয়ার ঐক্য প্রতিষ্ঠার যেকোনো পরিকল্পনায় বিদেশি স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা এবং সরকারি পদ, নির্বাচনী নিয়ম ও তেল রাজস্ব নিয়ে বিরোধ মেটানো জরুরি। প্রস্তাবিত ৩৬ মাসের অন্তর্বর্তী ক্ষমতা ভাগাভাগির পরিকল্পনায় আবদুলহামিদ দ্বীবাহ প্রধানমন্ত্রী এবং সাদ্দাম হাফতার প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকতে পারেন।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির রাওয়ালপিন্ডিতে সাদ্দাম হাফতারের সঙ্গে বৈঠক করেন। পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানকে লিবিয়ায় গৌণ পক্ষ হিসেবে দেখলেও দেশটির উভয় পক্ষ ও আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।

07 Jul 26 1NOJOR.COM

২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত গণঅভ্যুত্থানে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। সংগৃহীত ছবি: রয়টার্স

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।