Web Analytics

ইউনিভার্সিটি অব রোচেস্টারের অধ্যাপক অ্যাডাম ফ্রাঙ্ক ও নাসার বিজ্ঞানী গ্যাভিন স্মিথ পৃথিবীতে মানুষের আগে উন্নত সভ্যতা ছিল কি না, তা নিয়ে ‘সিলুরিয়ান হাইপোথিসিস’ নামে একটি চিন্তামূলক অনুসন্ধান শুরু করেন। ২০১৭ সালের আলোচনার পর তারা ২০১৮ সালে এ বিষয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তত্ত্বটির লক্ষ্য অতীতের সভ্যতার অস্তিত্ব প্রমাণ করা নয়; বরং এমন কোনো সভ্যতা থাকলে তার সূক্ষ্ম চিহ্ন কীভাবে খুঁজতে হবে, তা নির্ধারণ করা।

গবেষণাটি পৃথিবীর জলবায়ু ইতিহাসের অস্বাভাবিক পরিবর্তনের সঙ্গে বর্তমান মানবসৃষ্ট উষ্ণায়নের তুলনা করে। প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে প্যালিওসিন-ইওসিন থার্মাল ম্যাক্সিমামের সময় কার্বন নির্গমনের সঙ্গে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বেড়েছিল। এই ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও অনিশ্চিত। টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির গবেষক ক্যাথরিন হেহো এটিকে মানুষের সম্ভাব্য ঝুঁকি তুলে ধরা একটি চিন্তাশীল পরীক্ষা বলেছেন।

প্রাচীন নগর বা জীবাশ্মের প্রমাণ টেকটোনিক পরিবর্তন, আগ্নেয়গিরি ও ভূমিক্ষয়ে হারিয়ে যেতে পারে বলে গবেষকেরা পলিস্তর ও রাসায়নিক পরিবর্তনের দিকে নজর দেন। প্লাস্টিক, কৃত্রিম হরমোন, বিষাক্ত রাসায়নিক এবং ইলেকট্রনিক্সের ভারী ধাতু ভবিষ্যতে মানবসভ্যতার চিহ্ন হয়ে থাকতে পারে। ভূতত্ত্ববিদ জান জালাসিউইচ মনে করেন, নগরায়ন, ধাতু গলানো ও প্লাস্টিক বর্জন স্পষ্ট পদচিহ্ন রেখে যাবে এবং এমন শক্তি-অপচয়কারী প্রাচীন সভ্যতার অস্তিত্ব তিনি নাকচ করেন।

26 Jul 26 1NOJOR.COM

সিলুরিয়ান হাইপোথিসিস অতীতের সভ্যতার চিহ্ন ও জলবায়ু ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তোলে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।