দক্ষিণ ইরানে গুলি করে নামানো এক মার্কিন বিমানচালককে খুঁজে বের করতে সিআইএ প্রথমবারের মতো “ঘোস্ট মার্মার” নামের এক গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে বলে দ্য পোস্ট জানিয়েছে। এই প্রযুক্তি দীর্ঘ-পাল্লার কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষের হৃদস্পন্দনের বৈদ্যুতিক চিহ্ন শনাক্ত করে এবং তা পটভূমির শব্দ থেকে আলাদা করে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে এই প্রযুক্তির ইঙ্গিত দেন। “ডিউড ৪৪ ব্রাভো” নামে পরিচিত আহত বিমানচালকটি পাহাড়ি গুহায় দুই দিন লুকিয়ে ছিলেন, পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।
দ্য পোস্টের সূত্র জানায়, লকহিড মার্টিনের স্কাঙ্ক ওয়ার্কস বিভাগ এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে এবং এটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে পরীক্ষিত হয়েছে। মরুভূমির নির্জন পরিবেশে কম ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক হস্তক্ষেপ ও তাপমাত্রার পার্থক্য প্রযুক্তির কার্যকারিতা বাড়ায়। সিন্থেটিক হীরার ক্ষুদ্র ত্রুটি ব্যবহার করে তৈরি সেন্সরগুলোর মাধ্যমে কোয়ান্টাম ম্যাগনেটোমেট্রির উন্নতি এই সক্ষমতা সম্ভব করেছে, যদিও এটি সময়সাপেক্ষ এবং কম জটিল পরিবেশে সবচেয়ে কার্যকর।
সিআইএ বিমানচালকের জীবিত থাকার নিশ্চয়তা পাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। ট্রাম্প সংস্থাটির প্রশংসা করেন এবং প্রযুক্তিটির গোপনীয়তার ইঙ্গিত দেন।
ইরানে নিখোঁজ মার্কিন বিমানচালক খুঁজে পেতে সিআইএর নতুন এআই প্রযুক্তি ‘ঘোস্ট মার্মার’ ব্যবহার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।