চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে আমার দেশ। সরকারের পক্ষে এ বিষয়ে কাজ করছে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টার্মিনালটি বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এবং চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এতে সরকারি বিনিয়োগ প্রায় ২৭১২ কোটি টাকা। পিপিপি কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সম্ভাব্য ২০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথা থাকলেও খাত নির্দিষ্ট করা হয়নি।
সাবেক বন্দর সদস্য জাফর আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, এনসিটিতে প্রয়োজনীয় অধিকাংশ যন্ত্রপাতি রয়েছে; সফটওয়্যার, আইটি ব্যবস্থা ও দক্ষ জনবল উন্নয়নের বাইরে বড় বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত। সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে অপারেটর করার কথা থাকলেও পরে কনসেশনিয়ার কাঠামোর প্রস্তাব আসে। তাঁর আশঙ্কা, এতে আমদানি-রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে আদায় হওয়া আয়ের বড় অংশ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা হতে পারে।
মূল্যায়ন কমিটির হিসাবে, প্রস্তাবিত কাঠামোয় প্রতি ২০ ফুট কনটেইনারে ১২০ ডলার গ্রস আয় হলে বন্দরের নিট মার্জিন ১৭ দশমিক ১৮ ডলারে নেমে আসতে পারে, যেখানে বর্তমান মডেলে তা ৬৫ দশমিক ২৫ ডলার। পিপিপি কর্তৃপক্ষ বলেছে, এনসিটি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত এখনো আলোচনা ও পর্যালোচনার পর্যায়ে আছে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিনিয়োগ, আর্থিক কাঠামো বা অপারেটর নির্বাচন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আর্থিক ও বিনিয়োগ প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।