বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পাচার হওয়া ৪৪ কোটিরও বেশি টাকার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করেছে। সংস্থার সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ প্রতারণামূলক অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এমটিএফই-এর মাধ্যমে পাচার হওয়া ডিজিটাল মুদ্রা দেশে ফেরত আনে। ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অর্জনকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারত্বের ইতিবাচক ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধারের ঘটনা। সিআইডির ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার জানান, কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফলেই এই সাফল্য এসেছে, যা সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশের সক্ষমতার দৃষ্টান্ত। এমটিএফই ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কৃত্রিম লাভের প্রলোভন দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করেছিল এবং ২০২৩ সালের মাঝামাঝি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।
তদন্তে প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের ইউএসডিটি আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জে শনাক্ত করা হয়। উন্নত ব্লকচেইন বিশ্লেষণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থ জব্দ করে আদালতের নির্দেশে বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে সোনালী ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে।
ভুয়া এমটিএফই প্ল্যাটফর্ম থেকে ৪৪ কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করেছে সিআইডি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।