সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সংক্ষিপ্ত মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলের দুর্বলতা উন্মোচন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত ভিয়েতনাম যুদ্ধের তুলনায় ছোট হলেও এর ভূরাজনৈতিক প্রভাব আরও গভীর হতে পারে। চলমান শান্তিচুক্তির খসড়া অনুযায়ী, এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সার্বজনীন পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুদ্ধটি ইসরাইলের দুই দশকের ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন’ কৌশলকে ব্যর্থ করেছে এবং উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলো এখন মার্কিন ঘাঁটির নিরাপত্তা ভূমিকা পুনর্মূল্যায়ন করছে। সস্তা ড্রোন আধুনিক যুদ্ধে সমতাবিধানকারী শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ইউরোপে জ্বালানি সংকট রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, আর ট্রাম্পের ন্যাটো থেকে সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ইউরোপীয় ঐক্যকে দুর্বল করছে। সিএফআর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই যুদ্ধ মার্কিন নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
যুদ্ধ ইরানকে সামরিকভাবে দুর্বল করলেও তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও হরমুজ প্রণালিকেন্দ্রিক কৌশলকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। সৌদি আরব, তুরস্ক, কাতার, মিশর ও পাকিস্তানের জোট ট্রাম্পকে পুনরায় সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রেখেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শক্তির ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা উন্মোচন ও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।