গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা থেকে গত ৪৭ বছরে ১২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলেছে বলে সায়েন্টিফিক ডেটা সাময়িকীতে বুধবার প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গলে যাওয়া বরফের পানি প্রায় ৩ কোয়াড্রিলিয়ন গ্যালন বা ১১ দশমিক ৩ কোয়াড্রিলিয়ন লিটারের সমান। এই পানি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডজুড়ে প্রায় ১ দশমিক ৫ মিটার গভীর পানির স্তর তৈরি করতে পারত।
গবেষণা অনুযায়ী, ১৯৭৯ সাল থেকে এ বরফ গলার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ৩ দশমিক ১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। ১৯৭০, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত দুই বরফভূমির বরফ তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল, পরে গলনের হার বাড়তে থাকে এবং ২০১০-এর দশকে তা আরও স্পষ্ট হয়। গবেষকেরা উষ্ণ সমুদ্রের পানি বরফের নিচ ও পাশ ক্ষয় করাকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার নেতৃত্বে গবেষকেরা ৪৫টি জরিপ ও ২৭টি উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। ২০২০ থেকে ২০২৩ সালে সাময়িক বিরতি দেখা গেলেও পরবর্তী পরিমাপে গলনের হার আবার বাড়ার প্রমাণ মিলেছে। ইনেস ওতোসাকা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি এক সেন্টিমিটার বাড়লে বছরে অন্তত একবার বন্যার ঝুঁকিতে আরও ২০ থেকে ৩০ লাখ মানুষ পড়েন।
গবেষণায় ৪৭ বছরে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকায় ১২.৫ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলার তথ্য
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।