বাংলাদেশের ৫৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে, কোনো পূর্ণাঙ্গ আর্থিক হিসাব বিবরণী তৈরি করে না। ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) এই অনুপস্থিতিকে বড় ধরনের প্রশাসনিক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছে। এর পর ইউজিসি সব উপাচার্যকে চিঠি দিয়ে এফআরসি নির্ধারিত মডিউল অনুসারে আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছে।
বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউট (আইসিএবি) ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, ব্যালেন্স শিট না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্পদ ও দায়ের সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না, ফলে অনিয়মের ঝুঁকি থাকে। এফআরসির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করলেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল অভ্যন্তরীণ আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইনগুলোতে নিরীক্ষা সংক্রান্ত ধারায় অসঙ্গতি রয়েছে।
এফআরসি এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বহিঃনিরীক্ষা ও মানসম্মত প্রতিবেদন প্রণয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে। ইউজিসি আশা করছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন নির্দেশনা মেনে আর্থিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এফআরসি ও ইউজিসির উদ্যোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।