আগস্ট শেষে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্যের মধ্যে ১০ ব্যাংকের কাছেই ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ৮৮ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ছিল সোনালী ব্যাংকের; এরপর পূবালী, ব্র্যাক, অগ্রণী ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। ঋণ ও বিনিয়োগ না বাড়ায় ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল-বন্ড, কলমানি ও অন্য ব্যাংকে আমানতে অর্থ রাখছে এবং নতুন আমানত নিরুৎসাহিত করতে সুদহার কমাচ্ছে।
সুদহার বাজারভিত্তিক হওয়ার পর তুলনামূলক শক্তিশালী ব্যাংকগুলো কম সুদেও আমানত পাচ্ছে, কারণ আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটসহ নানা কারণে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ কমেছে। ফলে ঋণের চাহিদা কমে গিয়ে উৎপাদনশীল খাতে ব্যাংকের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে না।
আগস্ট শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং টানা ছয় মাসের বেশি সময় তা ৫ শতাংশের নিচে ছিল। শীর্ষ ব্যাংকগুলো গত দুই মাসে মেয়াদি আমানতের সুদহার ৫০ থেকে ১০০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে। বিপরীতে কয়েকটি ব্যাংক তারল্য ঘাটতিতে ছিল, যার মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক ও এবি ব্যাংক রয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আগামী বছর থেকে নতুন বিনিয়োগে ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন।
ঋণচাহিদা কমে দশ ব্যাংকে বিপুল উদ্বৃত্ত তারল্য, কমছে আমানতের সুদ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।