মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ইরান সর্বাত্মক, বহুমাত্রিক ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। বুধবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যেকোনো আগ্রাসন, হত্যাকাণ্ড বা গুপ্তহত্যার জবাব দিতে তেহরান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সংযম দেখাবে না। তিনি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং আগ্রাসনকারী ও তাদের আঞ্চলিক সমর্থকদের স্বার্থ ও নাগালের মধ্যে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে প্রস্তুত।
ওই কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে একই যুদ্ধশক্তি হিসেবে দেখার কথা বলেন। তার দাবি, একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া দেশ দুটির কেউই ইরানে হামলা চালাবে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য হামলার হুমকি আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের জন্য আইনগত ও নৈতিক ভিত্তি দিয়েছে বলেও তেহরান মনে করে। তবে এগুলো ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য; প্রতিবেদনে সেগুলোর স্বাধীন যাচাই দেওয়া হয়নি।
ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার জন্য আস্থা তৈরির পদক্ষেপ ও নিজেদের শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে। মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, এসবের আগে আলোচনা হবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাত বিস্তৃত হলে উপসাগরীয় জ্বালানি সরবরাহ, সামুদ্রিক পরিবহন ও বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে, বিশেষত হরমুজ প্রণালিতে।
ইরান আগ্রাসন ও আঞ্চলিক সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক পাল্টা হামলার প্রস্তুতির কথা বলেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।