ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান খালেদ মোহাম্মদ বালামা মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সঙ্গে একটি মুদ্রা বিনিময় চুক্তির প্রস্তাব দেন, যা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল ও গ্যাস অবকাঠামোর ক্ষতি এবং হরমুজ প্রণালির অবরোধজনিত রাজস্ব ক্ষতি পূরণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে।
দুবাইয়ের ফেয়ারমন্ট দ্য পাম হোটেল, ফুজাইরাহ তেল টার্মিনাল এবং অ্যামাজন ডেটা সেন্টারসহ বহু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে, আর ইসরাইলের খরচ ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছ থেকে যুদ্ধের অর্থায়ন চাওয়ার কথা বিবেচনা করছে, তবে আমিরাতের ক্ষতিপূরণের দাবি পরিস্থিতি উল্টে দিতে পারে। অন্যদিকে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ থেকে ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ ব্যয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ব্যাকস্টপ যোগ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে ডলারের প্রভাব কমতে পারে, বিশেষত যখন আমিরাত চীনা ইউয়ানে লেনদেনের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আমিরাতের যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক সহায়তা চাওয়া, ট্রাম্পের ওপর চাপ বৃদ্ধি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।