আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রভাবশালীদের জমি দখল এবং অবকাঠামোগত সংকটে বগুড়া শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি প্রীতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিত্যক্ত একতলা ভবন ভেঙে ফেলার পর টিনশেড ঘরে পাঠদান চলছে। বিদ্যালয়ের সামান্য মাঠের একটি অংশও বহুতল ভবনের নির্মাণসামগ্রী রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৭৮ সালে জাতীয়করণ করা হয়। ২০১৩ সালে পুরোনো ভবন ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ ৩৬ শতাংশ জমির ১৯ শতাংশ স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একসময় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭২ জন; ছয়জন শিক্ষকের পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন পাঁচজন।
অভিযোগের পর গত বুধবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে মাঠ দখলের চিত্র দেখেন। স্থানীয় এক বিএনপি নেত্রী ও সাবেক মহিলা কাউন্সিলর দ্রুত মাঠ পরিষ্কারের আশ্বাস দেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেজোয়ান হোসেন জানান, ভবন নির্মাণের দায়িত্ব শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের হলেও কাজ শুরু হয়নি এবং মাঠে নির্মাণসামগ্রী রাখার বিষয়টি যাচাইয়ে লোক পাঠানো হয়েছে।
জমি দখল ও ভবন সংকটে বগুড়ার সরকারি প্রীতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।