জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার অনুরোধসংবলিত প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদে বুধবার রাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। ভাস্কর্য চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়ে রফিক ভবনের নিচে সমাবেশে শেষ হয়। জকসুর নেতারা বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন।
সমাবেশে সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্ধান্তটিকে ধর্মীয় সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেন এবং এর পেছনে সাম্প্রদায়িক প্রভাব থাকার অভিযোগ তোলেন। এজিএস মাসুদ রানা উপাচার্যের কাছে ক্ষমা ও বিজ্ঞপ্তি বাতিলের দাবি জানান। তিনি শুক্রবার জুমার পর শিক্ষার্থীদের গরুভোজের কথাও বলেন এবং উপাচার্যকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জকসু চার দফা দাবি দিয়েছে, যার মধ্যে বিজ্ঞপ্তির পেছনে অসৎ উদ্দেশ্য ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা, সোমবারের নৈশভোজ আয়োজনকে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে রূপ দেওয়ার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্যাফেটেরিয়ায় গরু ও খাসির মাংস অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে। সব ধর্মের শিক্ষার্থীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়। পরে প্রশাসনের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জনসংযোগ দপ্তর দুঃখ প্রকাশ করে।
পশু জবাইবিষয়ক বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার ও ক্ষমা চেয়ে জকসুর বিক্ষোভ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।