চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে তীব্র নদীভাঙনে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি সাবমেরিন ক্যাবল মাটির নিচ থেকে উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাটার সময় ক্যাবল দুটির প্রায় ৫০ ফুট অংশ দেখা যায়। বাউরিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের এই ভাঙনকবলিত স্থানে তিন মাস ধরে এমন পরিস্থিতি চলছে। ক্যাবল বিকল হলে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ বাসিন্দার সন্দ্বীপে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
চলতি বছরের জুনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেললেও তা টেকেনি; প্রবল জোয়ারে আরও ক্যাবল উন্মুক্ত হয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে এই লাইনে দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ চলছে। ৫০ মেগাওয়াট সক্ষমতার এবং ৫০ বছর স্থায়িত্বকালের ক্যাবল দিয়ে বর্তমানে প্রাথমিকভাবে ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। পিডিবি এখনো ঝুঁকি নিরূপণ সমীক্ষা করেনি এবং চীনা ঠিকাদার জেডটিটির বিশেষজ্ঞ পরিদর্শনের অপেক্ষায় আছে।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাউবো ও বিদেশি ঠিকাদারসহ তিন পক্ষের সমন্বয়ে কাজ হচ্ছে, তবে ঠিকাদার এখনো আসেনি। আইডব্লিউএম জানিয়েছে, পিডিবি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি এবং বর্তমান পরিবেশগত পরিবর্তন মূল্যায়ন প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটি ক্যাবলের পুরো অংশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছে।
নদীভাঙনে সন্দ্বীপ চ্যানেলে উন্মুক্ত সাবমেরিন ক্যাবল, ঝুঁকি নিরূপণ এখনো হয়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।