শনিবার দিল্লিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে নামে হাজারো তরুণ, যা ছিল ব্যঙ্গাত্মক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র প্রথম প্রকাশ্য আন্দোলন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে আসা প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, দেশের তরুণেরা আর ভয় পাবে না। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, সাম্প্রতিক পরীক্ষার কেলেঙ্কারি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
সিজেপির জন্ম হয় ভারতের প্রধান বিচারপতির এক মন্তব্যের পর, যেখানে তিনি বেকার যুবকদের ‘পরজীবী’ ও ‘তেলাপোকা’ বলে তুলনা করেছিলেন। দীপকে সামাজিক মাধ্যমে ব্যঙ্গ করে আহ্বান জানান, ‘সব তেলাপোকা একজোট হলে কেমন হয়?’—এই আহ্বান ভাইরাল হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের মধ্যেই সিজেপির ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ২২ মিলিয়ন ছাড়ায়, পরে সরকার তাদের অ্যাকাউন্ট ব্লক করার চেষ্টা করে। জেন-জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের কাছে সিজেপি এখন শিক্ষাব্যবস্থা ও চাকরির সংকটের প্রতীক।
বিশ্লেষকদের মতে, পরীক্ষার দুর্নীতি ও চাকরির অভাব নিয়ে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের মধ্যেই এই আন্দোলনের উত্থান। তবে এই ‘তেলাপোকা’ আন্দোলন অনলাইন ব্যঙ্গ থেকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নিতে পারবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
শিক্ষা ও বেকারত্ব ইস্যুতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে তরুণদের ব্যঙ্গাত্মক বিক্ষোভ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।