২০২৬ সালের ৪ মে ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামতধর্মী লেখায় আধুনিক সমাজে ডিভাইস আসক্তির ক্রমবর্ধমান সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। লেখায় বলা হয়, স্মার্টফোন, ট্যাব ও ল্যাপটপ জীবনকে সহজ করলেও নিঃশব্দে জন্ম দিচ্ছে এক নতুন আচরণগত ব্যাধি—ডিজিটাল ডিপেনডেন্সি বা ইন্টারনেট গেমিং ডিসঅর্ডার। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে, বিশেষত তরুণদের মধ্যে। স্ট্যাটিস্তা’র তথ্য অনুযায়ী, একজন মানুষ গড়ে প্রতিদিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা স্ক্রিনে সময় কাটায় এবং বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী দিনে চার ঘণ্টার বেশি মোবাইল ব্যবহার করে।
লেখায় উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার ফলে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম ও টেক্সট নেক সিনড্রোমের মতো শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তুলনামূলক সংস্কৃতি ও তাৎক্ষণিক তৃপ্তির প্রবণতা মানসিক অস্থিরতা, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা বাড়াচ্ছে। শিশুদের অল্প বয়সে স্ক্রিনে অভ্যস্ত করে তোলায় তাদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং অটিজমের মতো জটিলতা দেখা দিচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় লেখক ডিজিটাল ডিটক্স, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ ও অভিভাবকের সচেতন ভূমিকার মাধ্যমে প্রযুক্তির ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে ডিভাইস আসক্তি মানসিক ও সামাজিক উদ্বেগ বাড়াচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।