বাংলাদেশে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ৩১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি প্রশাসনিক, আমলাতান্ত্রিক ও বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাধার মুখে রয়েছে বলে কর্মকর্তা ও খাতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ টন থেকে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত হবে এবং উচ্চমূল্যের পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমবে। আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হয়েছে; আগামী মাসে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট নিয়োগ, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে নকশা ও ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ এবং সেপ্টেম্বরের দিকে নির্মাণ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
কনসালটেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তিও উঠেছে। আন্তর্জাতিক দরপত্রে ২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং আট সদস্যের কারিগরি কমিটি পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ করে। বাদ পড়া সিঙ্গাপুরভিত্তিক সুরবানা জুরগ ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড মূল্যায়ন কমিটির সক্ষমতা ও বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানায়। তবে সরকার ও বিপিসির কর্মকর্তারা বলেন, কমিটিতে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও বুয়েটের শিক্ষক ছিলেন।
কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। ইআরএল-২ চালু হলে দেশের পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় অর্ধেক চাহিদা স্থানীয়ভাবে পরিশোধন করা যাবে এবং বছরে প্রায় ৩৯৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এক বিলিয়ন ডলারের চূড়ান্ত ঋণচুক্তি সই করেছে।
বাধার মধ্যেও ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে স্থানীয় জ্বালানি পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।