ওষুধের মানোন্নয়ন ও দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার ওষুধবাজারে বড় ধরনের সংস্কার এনেছে। নভেম্বরে সীমান্তে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর পাকিস্তান থেকে দীর্ঘদিনের ওষুধ আমদানিনির্ভরতা বন্ধের ঘোষণা দেয় তারা। আমদানিকারকদের তিন মাসের মধ্যে বিকল্প ও বৈধ উৎস খুঁজে নিতে বলা হলেও ব্যবসায়ীরা আগের চুক্তি শেষ করা ও শুল্ক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।
কাবুলের ফার্মাসিস্টরা জানিয়েছেন, কিছু ওষুধের দাম বেড়েছে এবং কিছু ওষুধ বাজারে মিলছে না, ফলে রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। পাকিস্তানের পরিবর্তে ইরানসহ অন্যান্য দেশ থেকে ওষুধ আনতে গিয়ে পরিবহন ব্যয় ২৫–৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান থেকে আসা নকল ও ভেজাল ওষুধ বন্ধ করাই সংস্কারের অন্যতম কারণ। ইরান, ভারত, বাংলাদেশ, উজবেকিস্তান, তুরস্ক, চীন ও বেলারুশের সঙ্গে নতুন সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। দেশে ৬০০ ধরনের ওষুধ উৎপাদন শুরু হয়েছে বলেও জানানো হয়।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচামাল আমদানিনির্ভরতা, উচ্চ জ্বালানি ব্যয় ও সীমিত অবকাঠামোর কারণে আফগানিস্তান এখনো পুরোপুরি স্বনির্ভর হতে পারবে না। চিকিৎসকেরা সতর্ক করেছেন, এই পরিবর্তন স্বল্পমেয়াদে চিকিৎসা সেবাকে জটিল করে তুলছে এবং রোগীদের চিকিৎসা বিলম্বিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
তালেবানের ওষুধবাজার সংস্কারে পাকিস্তান নির্ভরতা কমলেও সরবরাহে অস্থিরতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।