সাবেক বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যু নিয়ে গ্রেপ্তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশা ও বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাদের বক্তব্য, দুই পরিবারের বর্ণনা এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুর রহস্যে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। গত ২৮ অক্টোবর বিকালে উত্তরার রাজাবাড়ি ঘাট এলাকায় তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর বাবা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
তদন্তকারীরা কললিস্ট, ডিজিটাল তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও রিমান্ডে দেওয়া বক্তব্য মিলিয়ে তাহসিফের শেষ রাতের গতিবিধি যাচাই করছেন। দিশার ভাষ্য, ২৭ অক্টোবর রাতে তারা তিনজন উত্তরার নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিলেন এবং রাত ১১টা ৫১ মিনিটে বের হন। তাঁর দাবি, দীপ বারবার তাহসিফকে মদ ঢেলে দিলেও নিজে পান করেননি। দিশা আরও বলেন, টঙ্গীতে গিয়ে তাহসিফ হেরোইন সেবনের প্রস্তাব দিলেও তিনি রাজি হননি।
দিশাকে বাসায় নামানোর পর তাহসিফ ও দীপ কেন টঙ্গীর মাজার বস্তিতে যান, সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা কী ঘটেছিল এবং তাহসিফের মোটরসাইকেল কেন সেখানে রাখা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। দীপের আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। তদন্তে ২০০ পিস ইয়াবা নিয়ে আলোচনার তথ্যও এসেছে; কয়েকজনকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
তাহসিফ সাউরির মৃত্যু তদন্তে সিসিটিভি, ডিজিটাল তথ্য ও রিমান্ডের বক্তব্য যাচাই করছে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।